রক্তে লেখা সংবিধান

মূল পাতা

জবাবদিহি কাঠামো

১৯৭২-এর মূলনীতি বাতিল হয়ে ব্যর্থ হয়নি; সংবিধানে থেকেও কাগজে রয়ে গিয়েছিল, কারণ কেউ মাপত না, কেউ আদায় করত না। লেখকের প্রস্তাব: কমিশন, সংসদ, আদালত আর নাগরিক — চার স্তরের একটি জবাবদিহি কাঠামো।

লক্ষ্যে পৌঁছানোর উপায়
কাগজের প্রতিশ্রুতিকে মাপা যায় এমন দায়িত্বে
মূল অঙ্গীকার যেন মুছে না যায়
অঙ্গীকার আদায় করবে কে
লক্ষ্য না মিটলে কারণ দর্শানো ও সংশোধন
লক্ষ্য: কোথায় যাব?
তিন লক্ষ্য: সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার
আছে · ঘোষণাপত্র, ১৯৭১
পথ: কীভাবে যাব?
চার মূলনীতি: জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা
আছে · সংবিধান, ১৯৭২
মাপকাঠি: কতদূর এলাম?
পাঁচ মানদণ্ড (SMART): পরিমাপযোগ্য লক্ষ্য আর সময়সীমা
প্রস্তাব
সুরক্ষা: কী কখনো মুছবে না?
চিরস্থায়ী ধারা: তিন লক্ষ্য আর পথের মর্মবস্তু বদলানো যাবে না
প্রস্তাব
তদারকি: কে হিসাব দেবে?
জবাবদিহি কাঠামো: কমিশন, সংসদ, আদালত, নাগরিক
প্রস্তাব
লক্ষ্যে পৌঁছানোর উপায়
কাগজের প্রতিশ্রুতিকে মাপা যায় এমন দায়িত্বে
মূল অঙ্গীকার যেন মুছে না যায়
অঙ্গীকার আদায় করবে কে
লক্ষ্য না মিটলে কারণ দর্শানো ও সংশোধন
লক্ষ্য: কোথায় যাব?
তিন লক্ষ্য: সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার
আছে · স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র, ১০ এপ্রিল ১৯৭১
পথ: কীভাবে যাব?
চার মূলনীতি: জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা
আছে · সংবিধান, ৪ নভেম্বর ১৯৭২
মাপকাঠি: কতদূর এলাম?
পাঁচ মানদণ্ড (SMART): পরিমাপযোগ্য লক্ষ্য, সময়সীমা আর দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান
প্রস্তাব
সুরক্ষা: কী কখনো মুছবে না?
চিরস্থায়ী ধারা (প্রস্তাবিত ১৪২ক): তিন লক্ষ্য আর পথের মর্মবস্তু বদলানো যাবে না
প্রস্তাব
তদারকি: কে হিসাব দেবে?
জবাবদিহি কাঠামো: পর্যবেক্ষণ কমিশন, সংসদ, আদালত আর নাগরিক
প্রস্তাব
যেকোনো বাক্সে চাপলে সেই ধাপের পাতা খুলবে। পূর্ণ সীমারেখা: আছে; ভাঙা সীমারেখা: প্রস্তাব। বিন্দুরেখা: লক্ষ্য না মিটলে তদারকি ফেরে মাপকাঠিতে।

সাংবিধানিক পর্যবেক্ষণ কমিশন

প্রস্তাবিত কমিশন একটি স্বাধীন সাংবিধানিক সংস্থা। এর কাজ সংবিধানের মূলনীতি আর লক্ষ্য বাস্তবায়নের অগ্রগতি মাপা আর প্রকাশ করা।

গঠন: এগারো সদস্য — চারজন বিশেষজ্ঞ (অর্থনীতি, আইন, জনপ্রশাসন, পরিসংখ্যান); চারজন নাগরিক প্রতিনিধি (শ্রমিক, নারী, আদিবাসী, ধর্মীয় সংখ্যালঘু); তিনজন সংসদ মনোনীত (সরকারি দল, বিরোধী দল, আর তাঁদের সর্বসম্মত একজন)। নিয়োগ হবে নির্বাচন কমিশনের মতো সাংবিধানিক নিয়োগ কমিটির মাধ্যমে।

চার ক্ষমতা, তিন দেশের অভিজ্ঞতা থেকে

  1. বার্ষিক বাধ্যতামূলক প্রতিবেদন। দক্ষিণ আফ্রিকার সংবিধানের ধারা ১৮৪(৩) অনুযায়ী মানবাধিকার কমিশন প্রতিবছর রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোর কাছে জানতে চায়, আর্থসামাজিক অধিকার পূরণে তারা কী করেছে১। এই প্রস্তাব এক ধাপ এগিয়ে: সব মন্ত্রণালয় আর সংস্থা নিজে থেকেই কমিশনকে বার্ষিক তথ্য দিতে বাধ্য থাকবে।
  2. প্রতিকারমূলক নির্দেশ। কমিশন নির্দিষ্ট লঙ্ঘনে নির্দেশ দিতে পারবে, যা আদালত খারিজ না করলে মানা বাধ্যতামূলক। দক্ষিণ আফ্রিকার সাংবিধানিক আদালত ২০১৬ সালের নকান্দলা মামলায় বলেছে, স্বাধীন তদারকি সংস্থা পাবলিক প্রোটেক্টরের নির্দেশ কেবল পরামর্শ নয়, বাধ্যতামূলক হতে পারে, আর আদালত বাতিল না করা পর্যন্ত তা উপেক্ষা করা যায় না২। সেখানে এই ক্ষমতার ভিত্তি সংবিধানের ধারা ১৮২(১)(গ)২; তাই প্রস্তাবিত কমিশনের ক্ষমতাও সংবিধানেই লিখতে হবে।
  3. সরকারের লিখিত জবাব। কমিশনের প্রতিবেদন সংসদে পেশ হবে, সঙ্গে সরকারের লিখিত স্মারক — কোন সুপারিশ গৃহীত হলো, কোনটা হলো না, আর কেন। মডেল: ভারতের অর্থ কমিশনের প্রতিবেদন, যা সরকারের ব্যাখ্যামূলক স্মারকসহ সংসদে যায়৩।
  4. কোনো মেয়াদসীমা নয়। কেনিয়ার সংবিধান বাস্তবায়ন কমিশনের মেয়াদ নির্দিষ্ট ছিল; সংসদ মেয়াদ না বাড়ানোয় ২০১৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর কমিশন উঠে যায়৪। প্রস্তাবিত কমিশন হবে স্থায়ী সাংবিধানিক সংস্থা।

বাজেট: সংসদ সরাসরি বরাদ্দ করবে; সরকার আটকাতে পারবে না।

সংসদীয় জবাবদিহি

আদালতে বলবৎযোগ্যতা: শর্তসাপেক্ষে

এখন সংবিধান কী বলে

বর্তমান অনুচ্ছেদ ৮(২) অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি আইন প্রণয়ন আর সংবিধানের ব্যাখ্যায় নির্দেশক হবে, তবে আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হবে না৫। অর্থাৎ রাষ্ট্র অনুচ্ছেদ ১৫-এর মৌলিক প্রয়োজন পূরণের দায়িত্ব উপেক্ষা করলেও কোনো নাগরিক সরাসরি সেই দায়িত্ব আদায়ের মামলা করতে পারেন না। তবে পথ পুরোপুরি বন্ধ নয়: বাংলাদেশের আদালত জীবনের অধিকারের (অনুচ্ছেদ ৩১ ও ৩২) ব্যাখ্যা বাড়িয়ে তাতে পরিবেশ আর জীবিকা অন্তর্ভুক্ত করেছে — ফারুক মামলা৬ আর আসক মামলার৭ মতো নজিরে। সেই প্রসার এসেছে জীবনের অধিকারের ব্যাখ্যা থেকে, মূলনীতি বলবৎ করে নয়।

লেখকের প্রস্তাবিত পাঠ

এই ভাগের নীতিসমূহ আইন প্রণয়নে ও সংবিধানের ব্যাখ্যায় প্রযোজ্য হইবে; এবং রাষ্ট্র যদি এই ভাগে বর্ণিত কোনো দায়িত্ব পালনে যুক্তিসংগত পদক্ষেপ গ্রহণে ব্যর্থ হয়, অথবা আইনের দ্বারা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থতার কারণ ব্যাখ্যা না করে, তবে যেকোনো নাগরিক বা নাগরিক সংগঠন সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে প্রতিকার চাহিতে পারিবেন; আদালত রাষ্ট্রের সম্পদের সীমা বিবেচনায় লইয়া রাষ্ট্রকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের নির্দেশ দিতে পারিবেন; তবে অনুচ্ছেদ ১০-এর দফা (ক)-এ বর্ণিত অবিলম্বে প্রাপ্য বিষয়সমূহের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের সম্পদের সীমা কোনো অজুহাত হিসাবে গ্রাহ্য হইবে না, এবং বঞ্চিত যেকোনো ব্যক্তির পক্ষে আবেদন করা হইলে আদালত তাহার জন্য অবিলম্বে প্রতিকারের অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিতে পারিবেন।

— প্রস্তাবিত অনুচ্ছেদ ৮(২)

এখানে তিনটি বিষয় ইচ্ছা করে রাখা:

শিক্ষা: আদালতে বলবৎযোগ্যতা দরকারি, কিন্তু একা যথেষ্ট নয়। যেখানে কাজ করেছে — দক্ষিণ আফ্রিকার এইচআইভি-ওষুধের মামলা, ভারতের খাদ্য অধিকার মামলা, কলম্বিয়ার বাস্তুচ্যুত মানুষের মামলা — সেখানে আদালতের পাশে ছিল তদারকি সংস্থা আর সংগঠিত নাগরিক।

লেখকের একটি কাল্পনিক উদাহরণ: ধরা যাক, আইনে পাঁচ বছরে জিনি ০.৪৫-এ নামানোর লক্ষ্য ছিল, কিন্তু তা ০.৪৮-এ রয়ে গেল, আর সরকার কোনো ব্যাখ্যা দিল না। একটি নাগরিক সংগঠন হাইকোর্টে গেল। আদালত সরকারকে ছয় মাসের মধ্যে কর্মপরিকল্পনা সংসদে পেশের নির্দেশ দিল, আর কমিশনকে তদারকির দায়িত্ব দিল। আদালত করহার বা বাজেট ঠিক করল না; ঠিক করল জবাবদিহির সময়সীমা।

নাগরিক অংশগ্রহণ

সংশোধনের তিন স্তর

অনুচ্ছেদ ১৪২-এর গণভোট-বিধান আদালতের রায়ে ফিরে এসেছে। এর ওপর ভিত্তি করে লেখকের প্রস্তাব: সংশোধন-পদ্ধতি তিন স্তরে ভাগ হবে। চিরস্থায়ী ধারা গৃহীত হলে তা থাকবে সবার ওপরে; না হলে স্তর ৩-ই হবে সর্বোচ্চ সুরক্ষা।

স্তরকোন বিষয়পদ্ধতি
চিরস্থায়ী (প্রস্তাবিত ১৪২ক)তিন লক্ষ্য, সমাজতন্ত্রের ন্যূনতম বিষয়বস্তু, গণতান্ত্রিক চরিত্রকোনো পদ্ধতিতেই বিলোপ নয়
স্তর ৩: মৌলিকপ্রস্তাবনা, মূলনীতি (অনুচ্ছেদ ৮–১২), নাগরিক পরিচয়সংসদের তিন-চতুর্থাংশ ভোট আর গণভোটে অংশগ্রহণকারী ভোটারের অন্তত ৬০% সমর্থন
স্তর ২: গুরুত্বপূর্ণমৌলিক অধিকার, নির্বাচনব্যবস্থা, বিচার বিভাগ, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসংসদের তিন-চতুর্থাংশ ভোট
স্তর ১: সাধারণপ্রশাসনিক ও পদ্ধতিগত বিষয়সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ ভোট

কোন সংশোধন কোন স্তরে পড়বে, বিতর্ক হলে তা ঠিক করবে আপিল বিভাগ।

ব্যর্থ হলে কী হবে

ধরা যাক, দশ বছর পর সাম্যের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। ব্যর্থ কে — মূলনীতি, নাকি সরকার? কমিশন তিন প্রশ্নে তদন্ত করবে: সরকার কি চেষ্টা করেছিল (আইন, বাজেট, প্রতিষ্ঠান)? বাইরের কারণ (বৈশ্বিক মন্দা, দুর্যোগ, মহামারি) কতটা দায়ী? লক্ষ্যমাত্রা কি বাস্তবসম্মত ছিল?

তিন পরিণতির কোনোটিতেই তিন লক্ষ্য বা পথের মর্মবস্তু বদলায় না; বদলায় কেবল সংখ্যা, সময় আর সরকার। লেখকের মতে এভাবেই এড়ানো যায় সেই অন্তহীন চক্র — ১৯৭২-এ চার মূলনীতি, ব্যর্থ; ২০২৫-এ পাঁচ মূলনীতি, ব্যর্থ; তারপর ছয়, তারপর সাত।

সূত্র

  1. Constitution of the Republic of South Africa, 1996, ধারা ১৮৪(৩), gov.za (প্রবেশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬)। ধারার ভাষায় কমিশন "must require relevant organs of state to provide the Commission with information"। ফিরুন
  2. Economic Freedom Fighters v Speaker of the National Assembly and Others, [2016] ZACC 11 (৩১ মার্চ ২০১৬), দক্ষিণ আফ্রিকার সাংবিধানিক আদালত, অনুচ্ছেদ ৭৩–৭৬, saflii.org (প্রবেশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬)। রায়ের ভাষায়: "When remedial action is binding, compliance is not optional." (অনুচ্ছেদ ৭৩); "Only after a court of law had set aside the findings and remedial action taken by the Public Protector would it have been open to the President to disregard the Public Protector's report." (অনুচ্ছেদ ৮১); আদেশ: "The remedial action taken by the Public Protector … in terms of section 182(1)(c) of the Constitution is binding." ফিরুন
  3. Constitution of India, অনুচ্ছেদ ২৮০–২৮১, Constitute Project, constituteproject.org (প্রবেশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬)। ফিরুন
  4. "Kenya: Parliament not to extend constitution implementation commission mandate," ConstitutionNet (মূল: The Star), ২০ নভেম্বর ২০১৫, constitutionnet.org; "Kenya: Term expires for the Commission for the Implementation of the Constitution," ConstitutionNet, ২৯ ডিসেম্বর ২০১৫, constitutionnet.org (প্রবেশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬)। ফিরুন
  5. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান, অনুচ্ছেদ ৮(২), bdlaws.minlaw.gov.bd (প্রবেশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬)। ফিরুন
  6. Dr. Mohiuddin Farooque v. Bangladesh, 17 BLD (AD) 1 (১৯৯৭); 1 BLC (AD) 189 (১৯৯৬); সারসংক্ষেপ: "Farooque vs. Government of Bangladesh (Flood Action Plan Case)," ELAW, elaw.org (প্রবেশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬)। ফিরুন
  7. Ain o Salish Kendra (ASK) v. Government of Bangladesh, 19 BLD (HCD) 488 (১৯৯৯); সারসংক্ষেপ: ESCR-Net, escr-net.org (প্রবেশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬)। ESCR-Net-এর সারসংক্ষেপে: "this latter constitutional directive was not judicially enforceable"। ফিরুন
  8. Daniel M. Brinks ও Varun Gauri, "The Law's Majestic Equality? The Distributive Impact of Litigating Social and Economic Rights", World Bank Policy Research Working Paper 5999 (২০১২), openknowledge.worldbank.org (প্রবেশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬)। ফিরুন
  9. Government of the Republic of South Africa v. Grootboom, [2000] ZACC 19, 2001 (1) SA 46 (CC) (৪ অক্টোবর ২০০০), saflii.org; Pearlie Joubert, "Grootboom dies homeless and penniless," Mail & Guardian, ৮ আগস্ট ২০০৮, mg.co.za (প্রবেশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬)। আইনজীবী ইসমাইল জামির উক্তি শেষোক্ত প্রতিবেদনে। ফিরুন
  10. সমলিঙ্গ বিবাহ: সাংবিধানিক কনভেনশনের সুপারিশ (১৩–১৪ এপ্রিল ২০১৩-এর বৈঠকে ৭৯% সদস্যের ভোটে; "Constitutional Convention votes on same-sex marriage," PILA Bulletin, ২৪ এপ্রিল ২০১৩, pila.ie), গণভোট ২২ মে ২০১৫, ৬২.০৭% "হ্যাঁ" — Referendum Commission, referendum.ie (আর্কাইভ); অষ্টম সংশোধনী: Citizens' Assembly, Final Report on the Eighth Amendment of the Constitution (২৯ জুন ২০১৭), গণভোট ২৫ মে ২০১৮, ৬৬.৪০% "হ্যাঁ" — "Thirty-sixth Amendment of the Constitution of Ireland," Wikipedia, en.wikipedia.org; কনভেনশনের গঠন: "Constitutional Convention (Ireland)," Wikipedia, en.wikipedia.org; ২০২৪: Seána Glennon, "The future for citizens' assemblies in Ireland," I·CONnect, ৩ এপ্রিল ২০২৪, iconnectblog.com (প্রবেশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬)। ফিরুন