কেন নিয়ন্ত্রণ নয়, রূপান্তর
পুঁজিবাদের ভেতরে থেকে, নিয়ন্ত্রণ আর কল্যাণ-রাষ্ট্র দিয়ে, কি সাম্য টেকসই করা যায়? লেখকের উত্তর: না। এই পাতায় তার পাঁচ কারণ, প্রমাণ আর আপত্তি, আর নর্ডিক সামাজিক গণতন্ত্রের সঙ্গে গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রের তুলনা।
“মানবিক পুঁজিবাদ” কি সম্ভব?
পুঁজিবাদের ভেতরে থেকে, নিয়ন্ত্রণ আর কল্যাণ-রাষ্ট্র দিয়ে, কি সাম্য টেকসই করা যায়? লেখকের উত্তর: না, টেকসই হয় না। কিছু সময়ের জন্য পাওয়া যায়, ধরে রাখা যায় না।
পাঁচটি কারণ
- মালিকানাই ক্ষমতার উৎস। উৎপাদনের উপায় যাঁর হাতে, অর্থনীতির সিদ্ধান্তও তাঁর হাতে। মালিকানার কাঠামো না বদলালে ক্ষমতার উৎস বদলায় না।
- পুঁজির যুক্তি মুনাফা সর্বোচ্চকরণ। মজুরি, কর আর জনসেবা — সবই মুনাফার খরচ। পুঁজির স্বাভাবিক চাপ এগুলো কমানোর দিকে।
- শ্রেণিস্বার্থের দ্বন্দ্ব কাঠামোগত, সমঝোতা সাময়িক। শ্রমিক আর মালিকের সমঝোতা তখনই টেকে, যখন দুই পক্ষের শক্তি কাছাকাছি। শক্তির ভারসাম্য বদলালে সমঝোতাও ভাঙে।
- ইতিহাস দেখায়, পুঁজির চাপ জেতে। কল্যাণ-রাষ্ট্র ধীরে ধীরে পিছু হটে; “এর কোনো বিকল্প নেই” — এই যুক্তিতে ভর্তুকি আর জনসেবা কাটা পড়ে।
- অর্থনৈতিক ক্ষমতা রাজনীতি কিনে নেয়। যে গণতন্ত্রে সম্পদ কেন্দ্রীভূত, সেখানে ভোটের সমতা থাকলেও প্রভাবের সমতা থাকে না।
মূল বার্তা: পুঁজিবাদকে “মানবিক করা” মানে পুঁজিবাদের মূল যুক্তি বদলানো। কিন্তু সেই যুক্তি বদলালে আর পুঁজিবাদ থাকে না।
উপমা: “মানবিক পুঁজিবাদ” চাওয়া হলো “বাঘকে নিরামিষভোজী বানানোর” মতো। তত্ত্বগতভাবে সম্ভব — জোর করে কিছুদিন শাকসবজি খাওয়ানো যায়। কিন্তু বাঘের স্বভাব ফিরে আসবে; দীর্ঘমেয়াদে টেকসই নয়। তেমনি, পুঁজিবাদের স্বভাবই মুনাফা সর্বোচ্চকরণ। নিয়ন্ত্রণ দিয়ে দীর্ঘ সময় “মানবিক” রাখা যায় — স্ক্যান্ডিনেভিয়ার উদাহরণ — কিন্তু পুঁজির চাপ ধীরে ধীরে সেই নিয়ন্ত্রণ ভেঙে ফেলে।১
সমাধান: বাঘকে শাকাহারী বানানো নয়, বরং এমন ব্যবস্থা যার স্বভাবই সহযোগিতা, শোষণ নয় — অর্থাৎ গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্র। শুধু নিয়ন্ত্রণ নয়, রূপান্তর।
প্রমাণ কী বলে
- সুইডেন: নর্ডিক মডেলের প্রতীক এই দেশে ১৯৯০-এর দশক থেকে আয়-বৈষম্যের মাপকাঠি গিনি সহগ বেড়েছে উন্নত দেশগুলোর সংগঠন ওইসিডির অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে বেশি। তবে ওইসিডির অর্থনীতি বিভাগের এক গবেষণা ১৯৮৭–২০১৩ সময়ের এই বৃদ্ধির ৪০ শতাংশের বেশি জনমিতিক ও কাঠামোগত কারণে ব্যাখ্যা করে।২
- মাইডনার পরিকল্পনা: সুইডেনের সামাজিক গণতন্ত্রীরা নিজেরাই বুঝেছিলেন, শুধু নিয়ন্ত্রণ যথেষ্ট নয়। ১৯৭৫ সালে রুডলফ মাইডনার ও তাঁর সহকর্মীরা শ্রমিক ফেডারেশন এলও-র পক্ষে প্রস্তাব করেন, কোম্পানির মুনাফার একটা অংশ দিয়ে শ্রমিক তহবিল গড়ে ধীরে ধীরে মালিকানা শ্রমিকদের হাতে আনা হবে; ১৯৭৬-এর এলও কংগ্রেস তা অনুমোদন করে। নিয়োগকর্তাদের প্রবল প্রচারণা আর শ্রমিক আন্দোলনের নিজের দোদুল্যমানতায় ১৯৮৩ সালে তা অনেক দুর্বল রূপে আইন হয় (কার্যকর ১৯৮৪), আর ১৯৯১–৯২ সালে কার্ল বিল্ডটের মধ্য-ডানপন্থী জোট সরকার তহবিলগুলো বিলুপ্ত করে।৩ নিয়ন্ত্রণ থেকে রূপান্তরে যাওয়ার চেষ্টা, আর সেখানে পুঁজির প্রতিরোধ — এর চেয়ে স্পষ্ট দৃষ্টান্ত কম।
- ফ্রান্স, ২০২৬: ৩১ মার্চ শিক্ষকদের ধর্মঘট হয় প্রায় চার হাজার পদ কমানো আর বেতন স্থবিরতার বিরুদ্ধে। সরকার অবশ্য পদ কমানোর কারণ হিসেবে শিক্ষার্থী সংখ্যার নজিরবিহীন হ্রাসের কথা বলছে।৪
- স্পেন, ২০২৬: ২ অক্টোবর সংসদ ভাড়াটিয়াদের সুরক্ষার দুটি ডিক্রি প্রত্যাখ্যান করে; পরদিন মাদ্রিদে বিশাল আবাসন-বিক্ষোভ হয় — আয়োজকদের হিসাবে প্রায় পাঁচ লাখ, কর্তৃপক্ষের হিসাবে প্রায় সত্তর হাজার মানুষ।৫
এর পেছনের তত্ত্বও পুরোনো। পোলিশ অর্থনীতিবিদ মিখাউ কালেৎস্কি ১৯৪৩ সালে দেখিয়েছিলেন, পূর্ণ কর্মসংস্থান শ্রমিকের দর-কষাকষির ক্ষমতা বাড়ায়, তাই পুঁজি রাজনৈতিকভাবে তা উল্টে দিতে চায়।৬ পরে আদম প্রজেওয়ারস্কি আর মাইকেল ওয়ালারস্টাইন “রাষ্ট্রের পুঁজি-নির্ভরতা” তত্ত্বটি যাচাই করে দেখান: স্থির অবস্থায় কর ও হস্তান্তর দিয়ে বিনিয়োগ না থামিয়েও পুনর্বণ্টন সম্ভব, কিন্তু রূপান্তরের সময়ে — পুনর্বণ্টনের প্রত্যাশাতেই বিনিয়োগ কমে যায় বলে — রাষ্ট্র পুঁজির ওপর নির্ভরশীল থাকে, আর সেটাই নীতির সীমা টানে।৭
ন্যায্য থাকতে হলে যা মানতে হবে
- নর্ডিক কল্যাণ-রাষ্ট্র ১৯৩০-এর দশক থেকে, প্রায় নব্বই বছর ধরে টিকে আছে, আর ক্ষয় সত্ত্বেও এই দেশগুলো এখনো পৃথিবীর সবচেয়ে কম বৈষম্যের দেশগুলোর মধ্যে।৮ তাই দাবিটা “অসম্ভব” নয়, “টেকসই নয়”: মালিকানা আর ক্ষমতার কাঠামো না বদলালে অর্জনগুলো অস্থায়ী থাকে, ধীরে ধীরে ক্ষয়ে যায়।
- দক্ষিণ কোরিয়া আর তাইওয়ান ভূমি সংস্কার আর সর্বজনীন শিক্ষা দিয়ে পুঁজিবাদী কাঠামোর ভেতরেই তুলনামূলক কম বৈষম্য নিয়ে শিল্পায়ন করেছিল — যদিও সামরিক বা একদলীয় শাসনের অধীনে। এটা দেখায়, ওপরের সাত কাজের কয়েকটি — বিশেষত ভূমি সংস্কার — কতটা মৌলিক।
- সোভিয়েত ধাঁচের ব্যবস্থায় আয়ের সাম্য অনেকটা ছিল, কিন্তু মানবিক মর্যাদা আর গণতন্ত্র ছিল না। অর্থাৎ সমাজতন্ত্র সাম্যের জন্য অপরিহার্য, কিন্তু তিন লক্ষ্যের জন্য একা যথেষ্ট নয়। এই কারণেই লেখকের প্রস্তাব গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্র।
একটি শেষ প্রশ্ন: রূপান্তরও কি উল্টে যেতে পারে?
পারে। নিয়ন্ত্রণ যে কারণে উল্টে যায়, রূপান্তরও সেই কারণে উল্টে যেতে পারে। বাংলাদেশেই ১৯৭২-এর জাতীয়করণ ১৯৭৫-এর পর থেকে উল্টে গেছে। এর জবাব লেখকের প্রস্তাবে (চিরস্থায়ী ধারা): অর্থনৈতিক পথকে সংবিধানে চিরস্থায়ী ধারা দিয়ে নোঙর করা, আর জবাবদিহি, বিচারযোগ্যতা ও স্বাধীন পর্যবেক্ষণ দিয়ে তা উল্টানো কঠিন করা। শেষ রক্ষাকবচ অবশ্য আইনের বাইরে: সংগঠিত জনগণ।
সামাজিক গণতন্ত্র বনাম গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্র
“সামাজিক গণতন্ত্র” আর “গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্র” প্রায়ই মিশিয়ে ফেলা হয়। কিন্তু লেখকের প্রস্তাব বুঝতে পার্থক্যটা স্পষ্ট হওয়া দরকার, বিশেষ করে ওপরের দুটি দাবি পাশাপাশি রাখলে: সাত কাজের অনেকগুলোই নর্ডিক দেশে আছে, অথচ “মানবিক পুঁজিবাদ” টেকসই নয়।
নর্ডিক দেশগুলো যা গড়েছে, তা সামাজিক গণতন্ত্র; লেখক বাংলাদেশের জন্য যা প্রস্তাব করেন, তা গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্র। দুটিই সাম্য আর গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে। পার্থক্য একটি মৌলিক প্রশ্নের উত্তরে: পুঁজিবাদের মালিকানা-কাঠামো নিয়ে কী করা হবে?
মূলধারার সামাজিক গণতন্ত্রের উত্তর, অন্তত বাস্তবে যা দাঁড়িয়েছে: পুঁজিবাদের সমস্যা আছে, কিন্তু মালিকানার কাঠামো বদলানো অবাস্তব বা অপ্রয়োজনীয়; কর, ট্রেড ইউনিয়ন আর কল্যাণ-রাষ্ট্র দিয়ে তাকে নিয়ন্ত্রিত ও মানবিক করাই যথেষ্ট।
গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রের উত্তর: মালিক আর শ্রমিকের বিভাজনই শোষণ আর ক্ষমতা-বৈষম্যের মূল; সেই কাঠামো অপরিবর্তিত থাকলে বণ্টনের অর্জন সাময়িক থাকে (ওপরে)। তাই বণ্টনের সঙ্গে মালিকানাও বদলাতে হবে, তবে গণতান্ত্রিক পথে, আর ধাপে ধাপে।
| বৈশিষ্ট্য | সামাজিক গণতন্ত্র (নর্ডিক) | গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্র (লেখকের প্রস্তাব) |
|---|---|---|
| মূল প্রশ্ন | আয়ের বণ্টন বদলানো | বণ্টন আর মালিকানা, দুটোই বদলানো |
| মালিকানা | মূলত ব্যক্তিগত, কিছু রাষ্ট্রীয় | রাষ্ট্রীয়, সমবায়ী, সামাজিক আর ব্যক্তিগতের সমন্বয়; মৌলিক সেবা সামাজিক নিয়ন্ত্রণে; সমবায়ের সুরক্ষিত ও ক্রমবর্ধমান জায়গা |
| কর্মক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত | মূলত শেয়ারহোল্ডার; তবে ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে ও সুইডেনে আইনে কোম্পানির বোর্ডে সংখ্যালঘু শ্রমিক প্রতিনিধি থাকে৯ | শ্রমিকের সিদ্ধান্ত-অংশগ্রহণ; সমবায়ে এক সদস্য এক ভোট |
| সম্পদ-কেন্দ্রীভবন | উচ্চ আয়কর আর প্রতিযোগিতা আইন দিয়ে একচেটিয়া রোধ; কিন্তু ব্যক্তির সম্পদের কোনো আইনি সীমা নেই, আর নরওয়ে ছাড়া সম্পদ কর উঠে গেছে১০ | আইনে নির্ধারিত সীমা (অনুচ্ছেদ ১৩) |
| অর্জন উল্টে যাওয়ার ঝুঁকি | দীর্ঘস্থায়ী, কিন্তু ধীরে ক্ষয় হয়; আর মালিকানায় হাত দেওয়ার চেষ্টা উল্টে দেওয়া হয়েছে (মাইডনার তহবিল, ১৯৯১–৯২)১১ | সংবিধানে নোঙর করা, তবু ঝুঁকি থাকে; শেষ রক্ষাকবচ জবাবদিহি আর সংগঠিত জনগণ |
| প্রমাণের অবস্থা | প্রায় নব্বই বছরের অভিজ্ঞতা; এখনো সবচেয়ে কম বৈষম্যের দেশগুলোর মধ্যে১২ | জাতীয় পর্যায়ে পূর্ণ দৃষ্টান্ত নেই; মন্দ্রাগনের মতো আংশিক সাফল্য, সীমাসহ (সমাজতন্ত্রের পাতা) |
সীমানাটা সবচেয়ে স্পষ্ট দেখা যায় সুইডেনের মাইডনার পরিকল্পনায় (ওপরে)। সামাজিক গণতন্ত্রীরা নিজেরাই বণ্টন থেকে মালিকানায় যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন: মুনাফার একটা অংশ দিয়ে শ্রমিক তহবিল গড়ে ধীরে ধীরে মালিকানা শ্রমিকদের হাতে আনা। ঠিক সেখানেই পুঁজির প্রতিরোধ সবচেয়ে প্রবল হয়েছিল, আর তহবিলগুলো শেষ পর্যন্ত বিলুপ্ত হয়। অর্থাৎ পার্থক্যটা কেবল তাত্ত্বিক নয়; একটি দেশ ইতিহাসে ঠিক এই সীমানায় পৌঁছে থেমে গেছে।
দুটি কথা ন্যায্যতার জন্য বলা দরকার। প্রথমত, লেখকের প্রস্তাবিত গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্র মিশ্র মালিকানার অর্থনীতি, ব্যক্তিমালিকানার বিলোপ নয়; সমাজতন্ত্রের পাতার প্রস্তাবিত পাঠ উৎপাদনশীল খাতে রাষ্ট্রীয়, সমবায়ী আর ব্যক্তিগত মালিকানার সমন্বয় চায়। তাহলে মালিক-শ্রমিকের বিভাজন বদলায় কীভাবে? তিনভাবে: প্রতিটি কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকের সিদ্ধান্ত-অংশগ্রহণ, সম্পদ-কেন্দ্রীভবনের আইনি সীমা, আর সমবায় ও সামাজিক মালিকানার ক্রমবর্ধমান অংশ (প্রস্তাবিত অনুচ্ছেদ ১০-এর (ক), (গ) ও (ঘ))। লক্ষ্য রাতারাতি বিভাজন মুছে ফেলা নয়; ধাপে ধাপে ক্ষমতার ভারসাম্য শ্রমিকের দিকে আনা। দ্বিতীয়ত, জাতীয় পর্যায়ে এর কোনো পূর্ণ দৃষ্টান্ত এখনো নেই। সামাজিক গণতন্ত্রের পক্ষে আছে প্রায় নব্বই বছরের অভিজ্ঞতা; লেখকের প্রস্তাবের পক্ষে আছে যুক্তি আর আংশিক অভিজ্ঞতা। পাঠকের সেটা জানা থাকা উচিত।
টীকা
লেখকের মাইন্ডম্যাপ ও উপমা, “কেন ‘মানবিক পুঁজিবাদ’ টেকসই নয়” (এই প্রস্তাবের জন্য প্রস্তুত)।ফিরুন
Jon Pareliussen, “Structural Inequality – The Case of Sweden”, OECD Ecoscope, ২৭ এপ্রিল ২০১৭, https://oecdecoscope.blog/2017/04/27/structural-inequality-the-case-of-sweden/ (প্রবেশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬)।ফিরুন
Rudolf Meidner, Employee Investment Funds: An Approach to Collective Capital Formation (London: George Allen & Unwin, ১৯৭৮); Jonas Pontusson ও Sarosh Kuruvilla, “Swedish Wage-Earner Funds: An Experiment in Economic Democracy,” ILR Review ৪৫, সংখ্যা ৪ (জুলাই ১৯৯২): ৭৭৯–৯১; Shannon Ikebe, “Why No Socialism in Sweden?,” New Politics, ২৭ জানুয়ারি ২০১৯, https://newpol.org/why-no-socialism-in-sweden/ (প্রবেশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬)। ১৯৮৩-র আইন, ১৯৮৪-তে তহবিলের কার্যক্রম শুরু আর ১৯৯১–৯২-এ মধ্য-ডানপন্থী সরকারের হাতে বিলুপ্তি: “Employee funds,” Wikipedia, https://en.wikipedia.org/wiki/Employee_funds (প্রবেশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬)।ফিরুন
Nathan Joubioux, “Around 30% of France’s teachers strike in protest against job cuts and low wages”, Euronews, ৩১ মার্চ ২০২৬, https://euronews.com/2026/03/31/around-30-of-frances-teachers-strike-in-protest-against-job-cuts-and-low-wages (প্রবেশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬)।ফিরুন
Jesús Maturana, “Nearly 500,000 people protest in Madrid over Spain’s housing crisis”, Euronews, ৩ অক্টোবর ২০২৬, https://euronews.com/2026/10/03/nearly-500000-people-protest-in-madrid-over-spains-housing-crisis (প্রবেশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬)।ফিরুন
Michał Kalecki, “Political Aspects of Full Employment”, The Political Quarterly ১৪, সংখ্যা ৪ (অক্টোবর ১৯৪৩): ৩২২–৩০, https://doi.org/10.1111/j.1467-923X.1943.tb01016.x (প্রবেশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬)।ফিরুন
Adam Przeworski ও Michael Wallerstein, “Structural Dependence of the State on Capital”, American Political Science Review ৮২, সংখ্যা ১ (মার্চ ১৯৮৮): ১১–২৯, https://doi.org/10.2307/1958056 (প্রবেশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬)।ফিরুন
“Gini index,” World Bank Open Data, https://data.worldbank.org/indicator/SI.POV.GINI (প্রবেশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬)। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যে ১৫১টি দেশের মধ্যে নরওয়ে ১১তম, আইসল্যান্ড ১৩তম, ফিনল্যান্ড ১৭তম, সুইডেন ২৫তম ও ডেনমার্ক ৩০তম সর্বনিম্ন গিনি। তুলনা প্রতিটি দেশের ২০১৫ বা তার পরের সর্বশেষ মান ধরে। নর্ডিক কল্যাণ-রাষ্ট্রের সূচনা ১৯৩০-এর দশকে (ডেনমার্কে ১৯৩৩-এর কান্সলারগাদে চুক্তি, সুইডেনে ১৯৩৮-এর সাল্টশোবাডেন চুক্তি): “Nordic model,” Wikipedia, https://en.wikipedia.org/wiki/Nordic_model (প্রবেশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬)।ফিরুন
Lag (1987:1245) om styrelserepresentation för de privatanställda (সুইডেনের বেসরকারি খাতের কর্মীদের বোর্ড-প্রতিনিধিত্ব আইন), Sveriges riksdag, https://www.riksdagen.se/sv/dokument-och-lagar/dokument/svensk-forfattningssamling/lag-19871245-om-styrelserepresentation-for-de_sfs-1987-1245/ (প্রবেশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬)। নর্ডিক দেশগুলোর তুলনা: “Board-level employee representation,” worker-participation.eu (European Trade Union Institute), https://worker-participation.eu/National-Industrial-Relations/Across-Europe/board-level-employee-representation (প্রবেশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬)।ফিরুন
“Wealth taxes in Europe: Who collects them and how much do they raise?”, Euronews, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, https://www.euronews.com/business/2025/09/29/wealth-taxes-in-europe-who-collects-them-and-how-much-do-they-raise (প্রবেশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬)। ডেনমার্ক ১৯৯৭, ফিনল্যান্ড ও আইসল্যান্ড ২০০৬ আর সুইডেন ২০০৭ সালে সম্পদ কর তুলে দেয়।ফিরুন
Rudolf Meidner, Employee Investment Funds: An Approach to Collective Capital Formation (London: George Allen & Unwin, ১৯৭৮); Jonas Pontusson ও Sarosh Kuruvilla, “Swedish Wage-Earner Funds: An Experiment in Economic Democracy,” ILR Review ৪৫, সংখ্যা ৪ (জুলাই ১৯৯২): ৭৭৯–৯১; Shannon Ikebe, “Why No Socialism in Sweden?,” New Politics, ২৭ জানুয়ারি ২০১৯, https://newpol.org/why-no-socialism-in-sweden/ (প্রবেশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬)। ১৯৮৩-র আইন, ১৯৮৪-তে তহবিলের কার্যক্রম শুরু আর ১৯৯১–৯২-এ মধ্য-ডানপন্থী সরকারের হাতে বিলুপ্তি: “Employee funds,” Wikipedia, https://en.wikipedia.org/wiki/Employee_funds (প্রবেশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬)।ফিরুন
“Gini index,” World Bank Open Data, https://data.worldbank.org/indicator/SI.POV.GINI (প্রবেশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬)। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যে ১৫১টি দেশের মধ্যে নরওয়ে ১১তম, আইসল্যান্ড ১৩তম, ফিনল্যান্ড ১৭তম, সুইডেন ২৫তম ও ডেনমার্ক ৩০তম সর্বনিম্ন গিনি। তুলনা প্রতিটি দেশের ২০১৫ বা তার পরের সর্বশেষ মান ধরে। নর্ডিক কল্যাণ-রাষ্ট্রের সূচনা ১৯৩০-এর দশকে (ডেনমার্কে ১৯৩৩-এর কান্সলারগাদে চুক্তি, সুইডেনে ১৯৩৮-এর সাল্টশোবাডেন চুক্তি): “Nordic model,” Wikipedia, https://en.wikipedia.org/wiki/Nordic_model (প্রবেশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬)।ফিরুন